IMG-20231018-WA0006

previous arrow
next arrow

বিন্নাটী আব্দুল মজিদ মোল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাস

জেলার অন্তর্গত কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটী গ্রামে কিশোরগঞ্জ-পাকুন্দিয়া মহাসড়কের পাশে সবুজ শ্যামল পরিবেশে বিন্নাটী আব্দুল মজিদ মোল্লা উচ্চ বিদ্যালয় ১২ জানুয়ারী, ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পূর্বে শহরের কতিপয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া বিন্নাটী, মারিয়া, চৌদ্দশত ইউনিয়নে মাধ্যমিক পর্যায়ের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। অনুন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা ও অপ্রতুল যানবাহনের কারণে এলাকার শিক্ষার্থীদের দুরদুরান্তে গিয়ে পড়াশুনা করা ছিল অসম্ভব। 

আমাদের সেরা সেবা সমূহ


লাইব্রেরি 

শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড, শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি করতে পারে না। শিক্ষা মানব সম্পদ উন্নয়নের প্রধান সোপান।  আমাদের বিদ্যালয়ের পাঠাগারে গল্প, উপন্যাস, নাটক, কবিতা, ভ্রমণ কাহিনী, ধর্মীয় ও দুর্লভ প্রায় ১৫০০ এর অধিক বিভিন্ন ধরনের  বই রয়েছে।  শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরি থেকে বই সংগ্রহ করে পড়তে পারে। 

পরিবহন সুবিধা

ঐতিহ্যবাহী বিন্নাটী আব্দুল মজিদ মোল্লা উচ্চ বিদ্যালয় ঢাকা-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের পাশে হওয়ায় বাস, সিএনজি ও অটোরিকশায় যাতায়াতের ব্যবস্থা আছে।

 কোর্স সমূহ

২১/০৪/১৯৭২ সনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা কর্তৃক মানবিক বিভাগে প্রথম স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়। পরবর্তীতে বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের স্বীকৃতি পায়।

পুরস্কার

বিদ্যালয়টি সেকায়েপ কর্তৃক মুল্যায়নে ২০১৬ সালে সদর উপজেলায় প্রথম স্থান অর্জন করে এবং পুরস্কৃত হয়

শিক্ষক কর্মচারী

  দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী সহ মোট ১৬ জন শিক্ষক ও ৬ জন কর্মচারী কর্মরত আছেন।

কৃতিত্ব

২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় ৯৮.৫১% শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয় এবং ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষায়  সর্বাধিক ০৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করে।

বর্তমান অবস্থা


বর্তমান অবস্থা:

বিদ্যালয়টিতে ৫০০ জন এর অধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছে। বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি মীর কামরুল হাসান, প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ জসিম উদ্দিন। দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী সহ মোট ১৬ জন শিক্ষক ও ৬ জন কর্মচারী কর্মরত আছেন। সু-প্রশস্ত খেলার মাঠ, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবন, শহীদ আহম্মদ মোল্লা একাডেমিক ভবন, আধুনিক ও উন্নত অবকাঠামো সুবিধা সহ মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান বিভাগের পড়াশুনার অনুকুল পরিবেশ বিদ্যমান।

খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি সহপাঠ কার্যাবলী ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে আসছে।

১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত

বিশিষ্ট সমাজ সেবক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান জনাব আহাম্মদ মোল্লা এবং তৎকালীন বিন্নাটী ইউনিয়নের দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল বারী মোল্লা, বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের সাথে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা করেন। এলাকায় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম এঁর পরামর্শ, সহযোগীতা ও সার্বিক নির্দেশনায় বিদ্যালয় স্থাপনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।  শহীদ আহম্মদ মোল্লা ও আব্দুল বারী মোল্লা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ৩ (তিন) একর জমি দান করেন। তাঁদের শ্রদ্ধেয় পিতা মরহুম আব্দুল মজিদ মোল্লার নামে নামকরণ করার প্রস্তাব করলে উপস্থিত এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ তাদের এই মহৎ প্রস্তাবকে স্বানন্দে গ্রহণ করেন। মরহুম আব্দুল মজিদ মোল্লা এবং বিন্নাটী গ্রামের নামের মিশেলে বিন্নাটী আব্দুল মজিদ মোল্লা উচ্চ বিদ্যালয় নামকরণ করা হয়।

অনুপ্রাণিত জীবন এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য শিক্ষা

দ্রুত যোগাযোগ

+8801721151367

কৃতি শিক্ষার্থী

  • প্রফেসর ড. হুসনে আরা বেগম
  • মোঃ নাসির উদ্দিন
  • মোঃ আজহারুল ইসলাম
  • সৌরভ কিশোর দাস
  • তামান্না তাবাসসুম
  • নুরুন্নাহার
  • মোঃ এনায়েত হোসেন রনি
  • বিভাগীয় প্রধান, বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়
  • ২৭ তম বিসিএস কৃষি কর্মকর্তা
  • বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা
  • বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার কর্মকর্তা
  • বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার কর্মকর্তা
  • সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর 
  • ৪০ তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা

এছাড়ার আরও অনেক কৃতি শিক্ষার্থী দেশে-বিদেশে সুনামের সহিত উচ্চ পদস্থ ও দায়িত্বশীল পদে কর্মরত আছেন।

আমাদের শিক্ষকবৃন্দ

লুৎফুন্নাহার মোল্লা

লুৎফুন্নাহার মোল্লা

গুলশান আরা বেগম বেলী

গুলশান আরা বেগম বেলী

বিজয় কুমার সাহা রায়

বিজয় কুমার সাহা রায়

Default Image

মোহাম্মদ মামুনুর
রশিদ

Default Image

আল মামুন

Default Image

আহসান হাবিব

Default Image

সাদিয়া আক্তার

বিদ্যালয়ের বিশেষ অর্জন

বিদ্যালয়টি সেকায়েপ কর্তৃক মুল্যায়নে ২০১৬ সালে সদর উপজেলায় প্রথম স্থান অর্জন করে এবং পুরস্কৃত হয়, ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় ৯৮.৫১% শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয় এবং ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষায়  সর্বাধিক ০৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করে।